Home অফবিট রাস্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল মেয়েটি, এক অটোচালক তার অটোরিকশা বিক্রি করে মেয়েটির...

রাস্তায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল মেয়েটি, এক অটোচালক তার অটোরিকশা বিক্রি করে মেয়েটির চিকিৎসা করালেন.. বিনিময় মেয়েটি যা প্রতিদান দিল

রাস্তার সমস্ত পথচারী এবং যানবাহনের জন্য অনেক নিয়ম তৈরি করা হয়েছে তবুও প্রতিদিন প্রচুর দু-র্ঘ-ট-না ঘটে। কিছু দু-র্ঘ-ট-না এতই ভয়াবহ হয় যে সেখানে উপস্থিত সমস্ত ব্যক্তি মা-রা যায় এবং কেউ কেউ কেবল তাদের সহায়তার জন্য না থাকায় মা-রা যায়। আপনি অবশ্যই সংবাদপত্রে প্রতিদিন এই জাতীয় সংবাদ পড়েছেন এবং টিভিতেও দেখেছেন।

আজকের সময় প্রযুক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মানুষের হৃদয় ছোট হয়ে গেছে তাদের মানসিকতা এতটাই নিচে নেমে গেছে যে সামনে পড়ে থাকা আহত ব্যক্তিকে তারা সহায়তা করে না। তবে কিছু সদয় লোকের কারণেই এই পৃথিবী আজও চলছে। একটি সড়ক দু-র্ঘ-ট-না-র বিষয়ে একটি সংবাদ সম্প্রতি সামনে এসেছে,

যেটি পড়ার পরে মানুষের চোখে আনন্দের অশ্রু আসছে। একটি মেয়ে রাস্তায় দু-র্ঘ-ট-না-র মুখোমুখি হয়ে পড়েছিল। সে রাস্তা দিয়ে অনেক লোক যাচ্ছিল কিন্তু কেউ তাকে সহায়তা করেনি। কিন্তু একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার তাকে দেখে এবং তিনি তাকে এই অবস্থায় দেখে উপেক্ষা করতে পারেননি।

ট্যাক্সি ড্রাইভার তৎক্ষণাৎ মেয়েটিকে তুলে ট্যাক্সিতে রাখল এবং হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। এই ঘটনাটি ইউপির সাহারানপুরের যেখানে একটি ট্যাক্সি চালক একটি মেয়ের জীবন বাঁচিয়েছেন। ট্যাক্সি চালকের নাম রাজবীর। সে যখন মেয়েটিকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছায় তখন চিকিৎসক বলেছিলেন যে,

মেয়েটির অপারেশন করতে হবে এবং এতে দুই লাখ টাকা লাগবে। সে তৎক্ষণাৎ ট্যাক্সি বিক্রি করে আড়াই লক্ষ টাকা নিয়ে এসেছিল এবং ডাক্তারকে বলেন যে, তারাতারি অপারেশন যাতে শুরু করা হয়। রাজবীরের ট্যাক্সি ছিল তার জীবিকা, ট্যাক্সি চালিয়ে পরিবারকে খাওয়াতেন এবং সম্প্রতি তিনি নিজের জন্য একটি নতুন ট্যাক্সি কিনেছিলেন।

সেই ট্যাক্সি বিক্রি করে তিনি সেই মেয়ের জীবন বাঁচান এবং তার পর সুস্থ হয়ে মেয়েটা তার বাড়িতে চলে যায়। মেয়েটি যখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠল তখন সে রাজবীরের বাড়িতে যাওয়ার জন্য মনস্থির করল। বিষয়টি জানতে পেরে মেয়েটি তার বাড়িতে পৌঁছায় এবং তাকে নিজের বাড়িতে আসার জন্য আমন্ত্রণ করেন।

মেয়েটির নাম অসীমা। অসীমা ট্যাক্সি ড্রাইভারকে তার পড়াশোনার সমাপ্তির অনুষ্ঠানে যাওয়ার নিমন্ত্রণ করেছিলেন। অসীমার আমন্ত্রণে রাজবীর তার বৃদ্ধ মাকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছান। কর্মসূচি শুরু হয় এবং রাষ্ট্রপতি প্রথমে অসীমার নাম ডাকেন। অসীমা কে স্বর্ণ পদক দেওয়া হবে। পদক নেওয়ার পরিবর্তে অসীমতার ভাই রাজিবের কাছে গিয়ে বললেন যে,

আমার ভাইয়ের স্বর্ণপদক টি প্রাপ্য এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনাটি সবাইকে জানান। লোকেরা এই বিষয়টি জানতে পেরে তারা সংবেদনশীল হয়ে উঠল। অসীমা তার ভাইকে ট্যাক্সি কিনে দিয়েছে এবং তার সাথে থাকতে শুরু করেছে। এইভাবে একজন ভালো নাগরিক এবং ভালো মানুষের মতো আমাদেরও মানুষের প্রয়োজনে সাহায্য করা উচিত।।

RELATED ARTICLES

Most Popular