Home স্বাস্থ্য এবং ফিটনেস ৩০ বছরের পরেও সৌন্দর্য ধরে রাখতে যে পাঁচটি কাজ নিয়মিত করবেন

৩০ বছরের পরেও সৌন্দর্য ধরে রাখতে যে পাঁচটি কাজ নিয়মিত করবেন

সকলেই একটু রূপের দিকে বেশি নজর দিয়ে থাকে। বয়সের তুলনায় নিজেকে যাতে তরুণ দেখায় এই ধরনের মনের ইচ্ছা অনেকের হয়ে থাকে। অনেক সময় দেখা যায় বয়স বাড়ার সাথে সাথে চেহারাতে বার্ধক্যের ছাপ পড়ছে। আর সেই ছোপ থাকতে মানুষ নানা রকম চর্চা করে থাকেন।

তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনার দেহে এবং ত্বকে বয়সের ছাপ আসবে না। ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করলে আপনার দেহে এবং ত্বকে কোনো ক্ষতিকর প্রভাবও পড়বে না।

সর্বদা ধূমপান এবং মদ্য পান থেকে দূরে থাকুন । কারন ধূমপান এবং মদ্যপান আপনারা শরীরে এবং ত্বকে বয়সের আগেই নিয়ে আসতে পারে বার্ধক্যের ছাপ। আমাদের ত্বকের নিচে অক্সিজেন এবং রক্ত চলাচল সমস্ত কিছু বন্ধ হয়ে যেতে পারে অতিরিক্ত নিকোটিন এবং অ্যালকোহল এর প্রভাবে। ফলে ধীরে ধীরে শরীরের বার্ধক্য বাসা বাঁধে। এবং ত্বকেও বার্ধক্যের ছাপ ফুটে উঠে।

এর প্রভাবে আপনার দাঁত এবং নখ হলুদ হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও ধূমপান মদ্যপান আপনার শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। এর প্রভাব হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক, লিভাররে সমস্ত কার্যক্ষমতা একেবারে নষ্ট করে দিতে পারে। আপনার সুস্থ স্বাভাবিক জীবন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ত্বকে প্রতিদিন সানস্ক্রিন লাগানোর অভ্যাস করুন। শুধুমাত্র গরমকালে নয় শীতকাল এবং বর্ষাকালেও সানস্ক্রিন লাগান । কারণ সূর্যের রশ্মি আমাদের ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। আমাদের ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ, কালো ছোপ, চোখের ফোলা ভাব সমস্ত কিছু সূর্য রশ্মির কারণে হয়ে থাকে।

সূর্যরশ্মি যদি ডাইরেক্ট আমাদের ত্বকে পড়ে তাহলে সেটি আমদের ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই বাড়ির বাইরে বেরোলেই প্রতিদিন নিয়ম করে সানস্ক্রিন লাগানো অভ্যাস করুন কিছুটা হলেও সূর্য রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে বাঁচাতে সাহায্য করবে।

চিনি বেশি পরিমাণে খাওয়া চলবে না। অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি খেলে সেটি শরীরের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে ডায়াবেটিস আসতে পারে এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায় ফলে সহজেই ত্বকের বার্ধক্যের ছাপ পড়ে যায়।

অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি খাওয়া থেকে নিজেকে সংযত করতে হবে। এছাড়াও চিনিতে রয়েছে গ্লাইকেশন নামক এক ধরনের উপাদান। যেই উপাদান আমাদের ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক। এই উপাদান আমাদের ত্বকের কোলাজেন নামক টিস্যু টিকে ক্ষতিগ্রস্থ করে তোরে। এই টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হলে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে এবং ক্রমশ ত্বক ঝুলেপড়তে থাকে।

খাবারের অভ্যাস পাল্টান , ফাস্টফুড, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার , কোলড্রিংস ইত্যাদি খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়া যায় চেষ্টা করুন। এই ধরনের খাবার থেকে দূরে থাকুন। ত্বক যাতে সতেজ তার জন্য অনেক বেশি পরিমাণ জল পান করুন এতে ত্বকে হাইড্রেট বেড়ে যায় ফলে সহজেই ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে না। বেশি করে ফল শাকসবজি ভিটামিন ই যুক্ত খাবার মিনারেল যুক্ত খাবার এই ধরনের খাদ্য গ্রহণ করুন আপনার দেহে বার্ধক্য দেরিতে আসবে।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেবেন না। অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের শরীরের ক্ষতি করে। মানসিক চাপের ফলে আমাদের দেহে কার্টিসেল নামক এক প্রকার হরমোন নিঃসৃত হয় যার ফলে আমাদের ত্বকের সমস্ত ভেঙে যায়, এবং খুব সহজেই বার্ধক্য বাসা বাঁধে। এছাড়াও স্মৃতিশক্তি লোপ এই ধরনের রোগের জন্য দায়ী থাকে অতিরিক্ত মানসিক চাপ। বেশি পরিমাণ মানসিক চাপ আমাদের মাথার চুলের টিস্যুর জন্য ক্ষতিকর , ফলে চুল খুব তাড়াতাড়ি সাদা হয়ে যায় ।

RELATED ARTICLES

Most Popular