Home পাঁচ মিশেলি সময় কেউ কেউ বলেন, তিনি জাতিস্মর! তার বেশ কয়েকটি উপদেশ আমাদের জীবনে চলার...

কেউ কেউ বলেন, তিনি জাতিস্মর! তার বেশ কয়েকটি উপদেশ আমাদের জীবনে চলার পথে প্রেরনা যোগায়

সময় বদল ডেস্ক : প্রাচীনকালের লোকনাথ বাবার মাহাত্ম্য ছিল অপরিসীম । লোকনাথ ব্রহ্মচারী নামে একটি বালক তৎকালীন সময়ে তার মহিমার দ্বারা সকল ভক্তদের কাছে প্রিয় লোকনাথ বাবা হয়ে ওঠেন । তৎকালীন সময়ে প্রচলন রয়েছে লোকনাথ বাবার আধ্যাত্মিক শক্তির নিদারুণ মহিমার কথা ।

প্রচলিত রয়েছে যে বলে যে তিনি বর্ণবাদী ছিলেন, তিনি শরীর থেকে বেরিয়ে আসতে পারতেন। তিনি অন্যের চিন্তা সহজেই জানতে পারতেন। এছাড়াও, তিনি নিজের শরীরে অন্যের রোগ এনে এই রোগ নিরাময় করতে পারেন। আবার অনেকে বলে তিনি জাতিস্মর ছিলেন তিনি পুনর্জীবনের কথা মনে করতে পারতেন ।

প্রচলন আছে তার আধ্যাত্মিক শক্তির দ্বারা তিনি সকল ভক্তদের রক্ষা করতেন । বর্তমানেও এরকম অনেক ভক্ত রয়েছে তাদের বিশ্বাস রনে বনে জঙ্গলে যেখানেই লোকনাথ বাবাকে স্মরণ করা হয় সেখানে যে কোন রকম বিপদ থেকে লোকনাথ বাবা রক্ষা করে তাদের ।

যে কোন রকম কঠিন পরিস্থিতিতে বাবা লোকনাথ কে স্মরণ করা হয় তিনি তার মহিমা এর দাঁড়া সেই বিপদ থেকে ভক্তদের রক্ষা করে । তাকে স্মরণ করলেই বিপদ থেকে বেরিয়ে আসা যাবে এ বিষয়ে নিশ্চিত ভক্তরা ।

বাবা লোনাথের একটি বাণী খুবই প্রচলিত রয়ছে । তিনি বলেছেন যখন রাতে ঘুমাতে যাবে সমস্ত কাজের শেষে ,, তখন সারাদিনে কি কি কাজ করা হয়েছে সেগুলো একবার চিন্তা করে নিতে যেগুলো ভালো কাজ সেগুলো ভেবে গর্ববোধ করতে আর যেগুলো খারাপ কাজ করেছো সেই কাজগুলো যেন পুনরায় আর না করা হয় এই ভেবে ঘুমাতে । তিনি এটাও বলেছেন যে আধার মুক্ত হয় তখন যখন সূর্য ওঠে,, আবার চোর চুরি করতে এলে সেখান থেকে চোর পালিয়ে যায় যদি গৃহস্থের ঘুম ভেঙে যায় ,, সেরকমই যদি বারবার খারাপ কাজগুলো নিয়ে চিন্তা করা হয় তাহলে সেই খারাপ কাজ করার প্রবণতাও কমে যায় ।

এই জাতীয় অনেক প্রয়োজনীয় পরামর্শ সহ তিনি সহজ সরল জীবনযাত্রার ব্যাখ্যা দিতেন। দুনিয়াগত জটিলতার সমস্যা থেকে বের হয়ে সরল পথে যাওয়ার পথে বাবা লোকনাথ বলতেন। যদি প্রতিদিন নিয়মগুলি অনুসরণ করে বাবা লোকনাথের সেবা করেন তবে বাবা বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবে সহজেই । বাবা লোকনাথ সর্বদা একটি পরমার্থ রূপ হিসাবে অনুপ্রেরণা । বাবার অনুগ্রহে নতুনভাবে বাঁচতে পাওয়া যায় বহু ভক্তরাও শিব লোকনাথ হিসাবে বাবা লোকনাথকে মেনে চলেন এবং আরাধনা করেন ।

তাঁর বিভিন্ন উপদেশ জীবনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাঁর কথা মেনে চললে জীবনে শান্তি আসে, জীবন অনেক সহজ সরল হয় এবং বিপদ মুক্ত হয় । তাঁর একটি স্মরণীয় উপদেশ হ’ল –  “বাক্যবাণ ও বিচ্ছেদবাণ সহ্য করিতে পারিলে মৃত্যুকেও হটাইয়া দেওয়া যায়”।

RELATED ARTICLES

Most Popular