ভোটের আগেই রাজ্যবাসীর মুখে হাসি ফোটালো নরেন্তাদ মোদী। 1.9 কিলোমিটার দীর্ঘ রেল সেতু ১৮ সেপ্টম্বর বেলা বারোটার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন তিনি।দীর্ঘ 85 বছরের অপেক্ষার অবসান করলেন বিহার রাজ্যবাসীকে। শুক্রবার থেকেই যাত্রা শুরু হলো ঐতিহাসিক কোশি মহারেল সেতু।

ইংরেজ আমলে ট্রেন চলাচল করত কোশি রেল সেতুতে।নেপালে ভূমিকম্পের জেরে ধ্বংস্তুপে পরিণত হয় সেতুটি।তারপর নতুন রেল সেতুর জন্য ৮৫ বছরের অপেক্ষা করে গেজ থেকে ব্রড গেজে সম্প্রসারিত হলো কোশি রেল মহাসেতু।

২০০৩ সালে বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলে এই কোশি রেল মহাসেতুর শিলান্যাস হয়। এতদিন ধরে সেতুর নির্মাণকাজ চলে।এই সেতু নির্মাণের ফলে বিহার রাজ্যবাসীর অনেক সুবিধা হবে ভারতীয় রেল মন্ত্রক বলেছেন নেপালের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ আরও উন্নত হবে।

এই ঐতিহাসিক প্রকল্প ছাড়াও বিহারে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে আরও প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় করোনাভাইরাস মহামারির আবহেও রেলের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজে যোগ দিয়েছিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরাও। এই রেলপথ ভারত-নেপাল সীমান্ত অবস্থিত। এর থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত, কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বইয়ের যোগাযোগ স্থাপন আরও উন্নত হবে।১.৯ কিলোমিটার লম্বা সেতুটি তৈরি হতে ব্যয় হয়েছে ৫১৬ কোটি টাকা।

কিছুদিন আগে সে রাজ্যে সাতটি বড় শহর পরিকাঠামো (Urban infrastructure) প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সব ক’টি প্রকল্প মিলিয়ে খরচ পড়বে ৫৪১ কোটি টাকা। সামনে ভোট কে লক্ষ করি নরেন্দ্র মোদি অর্জুনের লক্ষ্যভেদ করতে চান। বিহার রাজ্যবাসীকে সন্তুষ্ট করতে ভোটের আগেই উপহার দিলেন মনে করছে বিশিষ্ট মহল।